ব্রেকিং নিউজ: পুলিশের হাতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী আটক

 

বুলগেরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বয়কো বরিসভকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের তহবিল তছরুপের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আটক করা হয়েছে৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের তহবিল সংক্রান্ত ১২০টি জালিয়াতি মামলার তদন্তে নেমে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷

ইউরোপীয় ইউনিয়নের তহবিল সংক্রান্ত ১২০টি জালিয়াতি মামলার তদন্ত শুরু হয়েছে৷ এর পাশাপাশি এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন এমন ব্যক্তিদের আটকের অভিযানও চলছে৷

এখনও পর্যন্ত যা জানা গেছে

বুলগেরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টার জন্য বরিসভকে হেফাজতে নেয়া হয়েছে৷ কিন্তু তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু জানা যায়নি৷

মন্ত্রণালয় একটি প্রেস বিবৃতির মাধ্যমে বড়সড় আইনি অভিযানের কথা জানায়৷ আরো জানায়, অভিযোগগুলি মূলত পাবলিক টেন্ডার, কৃষি ভর্তুকি, নির্মাণ এবং করোনা ভাইরাসের তহবিলের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত৷ স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, দেশজুড়ে এমন অভিযান চলছে৷ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কিরিল পেটকভ একটি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘‘আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন৷''

২০২১ সালে পেটকভের দল নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় এসেছে৷ তিনি বারবার দুর্নীতির ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স'-এর কথা বলেছেন৷ পুলিশ যদিও গ্রেপ্তারি বা আটক নিয়ে কিছু জানায়নি৷ তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের তহবিল তছরুপ মামলাই৷

বরিসভ এবং তার সরকারের বিরুদ্ধে একাধিকবার জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে৷ যদিও তিনি বারবার সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন৷ সাবেক অর্থমন্ত্রী ভ্লাদিসাভ গোরানভ, পার্লামেন্টের বাজেট কমিশনের চেয়ার মেন্ডা স্টোয়ানোভা, বরিসভের সংবাদমাধ্যম মুখপাত্র সেভদালিনা আরনাউদোভাকেও হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ৷

দ্রুত পদক্ষেপ

সোফিয়ায় ইউরোপীয় প্রধান প্রসিকিউটর লরা কোয়েভেসির দুই দিন সফরের পরই একাধিক পুলিশি অভিযান চালানো হয়৷ তিনিও ১২০টি জালিয়াতি মামলার কথা নিশ্চিত করেছেন৷ তার কথায়, ‘‘দুর্নীতি রুখতে বুলগেরিয়ার কর্তৃপক্ষের সহায়তা প্রয়োজন৷''

ন্যাটো এবং ইইউ উভয়েরই সদস্য দেশ বুলগেরিয়া৷ দুর্নীতি, আইনের শাসন মেনে চলা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষার দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা নিয়ে বারবার অন্য দেশগুলির সঙ্গে আলোচনা চালিয়েছে বুলগেরিয়া৷